
ঢাকা : অভিযোগ পাওয়া গেছে, মধু (ময়লা) বাণিজ্যের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে কয়েকটি গ্রুপ। গত ২৩ থেকে ২৯ আগস্ট, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ২১, ৩৭, ৩৮, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও ময়লার ট্রাকের ড্রাইভারকে নামিয়ে পিটাচ্ছে সশ্রস্ত্র সন্ত্রাসীরা।
মহল্লায় অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে মধু সন্ত্রাসীরা, ভাঙচুর করা হচ্ছে ময়লার গাড়ি। এই পরিস্থিতিতে পাঁচটি ওয়ার্ডে চারদিন ধরে বর্জ্য অপসারণ প্রায় বন্ধ। ফলে জমছে ময়লার স্তূপ।
সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্টের সাথে এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী বলেছেন, ‘৪/৫ জনকে আসতে দেখে আমরা সরে পড়তে যেতে চাচ্ছিলাম। ওরা দৌঁড়ে আমাকে ধরে ওয়ালের সাথে ধাক্কা দিয়ে পিস্তলের বাট দিয়ে মাথায় দু–তিনটা বাড়ি দিয়েছে। আমার কানের কাছে ফেঁটে গেছে।’ তাছাড়া কালকে থেকে কাজ না করার হুমকি দিয়ে বলে যে, এটা বড় ভাইয়ের নির্দেশ।’
ময়লার ঠিকাদারের দাবি, এসটিএসের কাজ দখলে নিতে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবি করা হয়।
গুলশান লেকপাড় এসটিএসের সাব-কন্ট্রাক্টর রাকিব ঢালি বলেন, ‘কিছু সন্ত্রাসী দল ৪/৫ দিন ধরে অতর্কিতে হামলা চালাচ্ছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ব্যক্তিগত নম্বরে কল দিয়ে বলছে, তোরা কাজ করবি না। তারা মূলত এই কাজটা দখলে নিতে চাচ্ছে। ৫০ লাখ টাকার মতো চাঁদা দাবি করেছে।’
এই ঘটনায় যেই জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘ময়লা–আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যাপারে বা এসটিএসে নিয়ে আসার ব্যাপারে যদি কোনো অনিয়ম বা অন্যায় হয়, এটা আমরা সরকারের পক্ষ থেকে বরদাশত করব না। এতে যারাই জড়িত থাকুক– সেটা আমাদের দলের হোক বা অন্য কেউ হোক। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হামলার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি দেখিয়ে বাড্ডা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
রেজা-৩০/ডিএসই-৮
