
ঢাকা : আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার পলাতক ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন
মামলার পরবর্তী তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর।
আসামিদের মধ্যে আছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।
মামলার মোট আসামি ৪১ জন। তাঁদের মধ্যে ৩০ আসামি পলাতক। সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তাঁদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হবে।
অন্য যাঁদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে আছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাবেক সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সাবেক সংসদ সদস্য মাহবুব উল আলম হানিফ, সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস, সাবেক সংসদ সদস্য এস এম জাহিদ।
যুবলীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারকেও আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।
আরও আছেন পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক আইজিপি মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, র্যাবের সাবেক প্রধান মো. মোখলেছুর রহমান।
আত্মসমর্পণ করতে বলা আসামিদের মধ্যে আরও আছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মাহবুব হোসেন, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন, ডিআইজি মহা. আশরাফুজ্জামান, ডিআইজি মোহাম্মদ হারুন–অর–রশীদ, ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার, ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, অতিরিক্ত ডিআইজি এস এম মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, রমনা অঞ্চলের এসি এস এম শিবলী নোমান, মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বি এম ফরমান আলী।
কানিজ-০৩/ডিএসই-৯
