Thursday, September 3

রোম থেকে একই পরিবারের নিহত তিন বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে

নিহত দম্পতির একমাত্র ছেলে অয়ন

নোয়াখালী : ইতালির রাজধানী রোমে দুর্বৃত্ত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব শাহাদতের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নিহত একই পরিবারের তিন বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে।

শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে লাশবাহী একটি ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশগুলো নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পৈতৃক বাড়িতে নেওয়া হয়।

নিহতরা হলেন—চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বাবুল (৪৪), তার স্ত্রী মমতাজ বেগম আরজু (৩৮) এবং তাদের পাঁচ বছর বয়সী কন্যাশিশু অরোরা ইসলাম আরিশা।

একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে বেঁচে যাওয়া নিহত দম্পতির একমাত্র ছেলে অয়ন বাবা, মা ও ছোট বোনের মরদেহ নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে স্বজনরা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লাশ গ্রহণ করে কোম্পানীগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মরদেহগুলো চরকাঁকড়ার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে সেখানে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

নিহত কামাল উদ্দিন বাবুলের বাবা সিরাজুল ইসলাম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতনিকে যারা হত্যা করেছে, সেই হত্যাকারী শাহাদাতের ফাঁসি চাই। সেই শাহাদাত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব ছিলো। বাংলাদেশ সরকার ও ইতালি সরকারের প্রতি আমার জোর দাবি, দ্রুত হত্যাকারীকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

নিহত দম্পতির একমাত্র ছেলে অয়ন বলেন, শাহাদাত হোসেন আমার বাবা, মা ও ছোট বোনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আমাকেও হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করা হয়।

গত ২৬ জুন ইতালির রাজধানী রোমের ক্যাসালোত্তি এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের তিনজন নিহত এবং অয়ন গুরুতর আহত হন।

হামিম-১৪/ডিএসই-৮