
ঢাকা : সোমবার (১০ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ থেকে সার্কুলার জারি করে বলা হয়েছে। ‘বাংলা কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন প্রসারের নিমিত্ত প্রণোদনা প্রদান’ শীর্ষক সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে যুক্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পণ্য বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারীদের মার্চেন্ট পয়েন্টে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানকে প্রণোদনা দেওয়া হবে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।
সার্কুলার অনুযায়ী, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন হওয়া দুই হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি লেনদেনের বিপরীতে মাসিক ভিত্তিতে প্রণোদনা দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে লেনদেনের পরিমাণের ০.১০ শতাংশ প্রণোদনা পাবে একুয়্যারিং প্রতিষ্ঠান এবং ০.২০ শতাংশ পাবে ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, মার্চেন্ট পেমেন্ট সহজ করা, ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ী এবং সেবা প্রদানকারীদের ডিজিটাল পেমেন্টের আওতায় আনা এবং দেশের ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও আন্তঃসংযোগযোগ্য করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তবে প্রণোদনা পাওয়ার জন্য কোনও লেনদেনকে কৃত্রিমভাবে ভাগ করা যাবে না। অর্থাৎ দুই হাজার টাকার বেশি কোনও একটি লেনদেনকে ছোট ছোট একাধিক লেনদেনে বিভক্ত করে প্রণোদনা নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা ‘লেনদেন কাঠামোবদ্ধকরণ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এ ছাড়া ব্যর্থ, বাতিল, ফেরত, চার্জব্যাক, বিরোধপূর্ণ বা পরবর্তী সময়ে বাতিল হয়ে যাওয়া লেনদেনের বিপরীতে কোনো প্রণোদনা দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনে প্রণোদনার আওতাভুক্ত লেনদেনের রেকর্ড, মার্চেন্টের তথ্য, নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই ও নিরীক্ষা করতে পারবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাহিদা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি সরবরাহ করতে হবে।
হামিম-০৯/ডিএসই-৮
