
চট্রগ্রাম : ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চীন থেকে ৩৫৮ কোটি টাকায় আমদানি করা হয় ১২৫টি লাগেজ ভ্যান। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের বহরে যুক্ত করা হয় এসব। এর মধ্যে ৭৫টি মিটারগেজ ও ৫০টি ব্রডগেজ। এর মধ্যে রয়েছে ২৮টি ফ্রিজিং লাগেজ। এর আগে পুরনো লাগেজ ভ্যান ছিল ৫০টি, যার ১৮টি সচল ছিল।
প্রতিটি লাগেজ ভ্যান চীন থেকে কেনা হয় ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা থেকে ৩ কোটি ৫ লাখ টাকায়। রেলওয়ের পরিবহন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এসব লাগেজ ভ্যান কিনতে ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট ৩৫৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকার চুক্তি হয় চীনের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। সেই সময় ৮ থেকে ৯ টন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিটি ব্রডগেজ লাগেজ ভ্যানের দাম পড়ে ৩ কোটি ৫ লাখ এবং প্রতিটি মিটারগেজ লাগেজ ভ্যানের দাম ধরা হয় ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।
বাংলাদেশ রেলওয়ের লাগেজ ভ্যানে পণ্য পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ভাড়ার হার: ঢাকা-চট্রগ্রাম রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ২ টাকা ৩৬ পয়সা; ঢাকা-সিলেট রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ২ টাকা ২২ পয়সা; ঢাকা-জামালপুর রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ১ টাকা ৬৮ পয়সা; ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ১ টাকা ৮৮ পয়সা; ঢাকা-মোহনগঞ্জ রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ১ টাকা ৮২ পয়সা; ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ১ টাকা ৪৬ পয়সা; ঢাকা-লালমনিরহাট রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ২ টাকা ৯৪ পয়সা; ঢাকা-কুড়িগ্রাম রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ৩ টাকা ১২ পয়সা; ঢাকা-রংপুর রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ২ টাকা ৯৪ পয়সা; চট্টগ্রাম-সিলেট রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ২ টাকা ৬২ পয়সা এবং চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটের ভাড়া কেজি প্রতি ২ টাকা ৬২ পয়সা।
সরেজমিনে চট্রগ্রাম নগরীর দেওয়ান হাট রেলওয়ে মার্শালিং ইয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, অযত্ন-অবহেলায় পড়ে আছে শতশত কোটি টাকায় কেনা রেলের লাগেজ ভ্যানগুলো। বগির ভেতরে ধুলোর আস্তরণ আর যন্ত্রাংশে মরিচার দাগে দীর্ঘদিনের অবহেলার ছাপ স্পষ্ট। এটি চিত্র।
তানভির-১৫/ডিএসই-১০
