
সোনালী ব্যাংকের এলসি বাতিল করেছে সৌদি আরবের দুটি ব্যাংক
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে সার আমদানির ৪টি লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) বাতিল করেছে সৌদি আরবের দুটি ব্যাংক। ব্যাংক দুটি হল আল-বিলাদ ও ব্যাংক আল জাজিরা।
সার আমদানির এলসিগুলো সৌদি আরবের দুটি ব্যাংক বাতিল করায় উদ্বেগ জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে চিঠি দিয়েছে।
বিসিআইসির চেয়ারম্যান শাহ্ মো. ইমদাদুল চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, সৌদির দুটি ব্যাংক থেকে পরপর চারটি এলসি বাতিলের ঘটনায় আমাদানিতে শিডিউল বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামলাতে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কোঅপারেশন (বিসিআইসি) পরে জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে চারটির পরিবর্তে দুটি এলসি খুলেছে।
এই ঘটনায় চলমান ও আগামী বোরো মৌসুমের চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া সার সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা করছে বিসিআইসি।
জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডলারে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে প্রতি লটে ৩০ হাজার টনের চারটি লটের ইউরিয়া আমদানি পৌঁছানোয় সৌদি আরবের ব্যাংক আল-বিলাদ এবং ব্যাংক আল জাজিরা এলসি বাতিল করে।
জানা গেছে, সৌদি আরব থেকে প্রতিটি ৩০ হাজার টনের মোট ১৬টি লটে জিটুজি প্রক্রিয়ায় সার আমদানি করছে বাংলাদেশ সরকার। এর প্রথম তিনটি লটের চালান আনলেও পরবর্তী চার লটের সার আমাদানিতে বিপত্তি বাধে। এর মধ্যে চার ও পাঁচ নম্বর লটের সার নেওয়ার জন্য বন্দরে সাত দিন ধরে জাহাজ লোডিংয়ের জন্য রেডি করা ছিল। যে কারণে এই জাহাজে ডেমারেজ হিসেবে প্রতিদিন ২০ হাজার মার্কিন ডলার দিতে হয়েছে সরকারকে।
এ প্রসংগে জনতা ব্যাংকের সিইও এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ আবদুস সালাম আজাদ বলেন, সম্প্রতি সৌদি আরব থেকে সার আমদানি করা হয়েছে। তবে এর জন্য অ্যাড কনফার্মেশন দেওয়া লাগেনি।
শওকত/১৯/ডিএসই
