
রেজাউল করিম : এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে হুন্দাই রোটেম থেকে ২০১৮ সালে ২৯৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকায় ১০টি এবং ২০১৯ সালের চুক্তিতে ৬৭৪ কোটি ৯ লাখ টাকায় আরও ২০টি ইঞ্জিন ক্রয় করে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
এগুলোর প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ছিল ২০ বছর। ২০২২ সাল থেকে চালু হওয়া ইঞ্জিন ২০২৩ সালে একটি অচল হয়ে পড়ে। পরের বছর মানে ২০২৪ সালে অচল হয় আরও চারটি। ২০২৫ সালে অচল ইঞ্জিনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১০টিতে। চলতি বছর ২০২৬ এর জুনে তা ১৮টিতে পৌঁছায়।
অচল ইঞ্জিনগুলোর ছয়টি বর্তমানে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ডিজেল ওয়ার্কশপে পড়ে আছে।
একারনে দুই বছরে ক্রয় করা প্রায় ৯৭০ কোটি টাকার ৩০ ইঞ্জিন ঠিক করতে যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা ভিত্তিক প্রগ্রেস রেলের সাথে প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি দেশ ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণ সেবার জন্য ৬৮০ কোটি টাকার চুক্তি প্রস্তাব ইতিমধ্যেই অনুমোদন দিয়েছে রেল মন্ত্রনালয়।
তিন বছর মেয়াদি এই প্রস্তাবে কর্মীদের বেতন, পরামর্শক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট খরচের জন্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা এবং বাকি প্রায় ৬৫০ কোটি টাকার বেশির ভাগ ব্যয় হবে যন্ত্রাংশ ও রক্ষণাবেক্ষণে।
সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন, চুক্তি কার্যকর হলে বর্তমানে ইঞ্জিনের চাহিদা অনুযায়ী প্রাপ্যতা প্রায় ৯৫ শতাংশে উন্নীত হবে।
রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল ইসলাম এব্যপারে জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেও অর্থ বিভাগসহ অন্যান্য সরকারি সংস্থার অনুমোদন এখনো বাকি। কয়েকটি সংস্থা কিছু বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছে। সেগুলোর জবাব প্রস্তুত করা হচ্ছে।
নওরিন-১৬/ডিএসই-১০
