Wednesday, July 29

এই আন্দোলন জাতিকে রক্ষার জন্য – মির্জা ফখরুল

গণসমাবেশে প্রধান অতিথি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বরিশাল নগরীতে শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনার সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন হবে না। তত্ত্বাবধায়ক বা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করে আগামী সাধারণ নির্বাচন দিতে হবে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আওয়ামীলীগ ২০১৪ সালে ও ২০১৮ সালে ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছে। এখন আবারও নতুন করে ভোট চুরির ফায়দা আটছে। নতুন নির্বাচন কমিশন দিয়ে কৌশলে ভোট চুরির চিন্তা করছে। কিন্তু শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন হবে না।

অসহনীয় দ্রব্যমূল্য, লাগাতার লোডশেডিং, দুর্নীতি-দুঃশাসন, লুটপাট, মামলা-হামলা, গুম, হত্যা, জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণসমাবেশের ডাক দেয় বিএনপি। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া সমাবেশ শেষ হয় বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে কোনো পণ্যে হাত দেওয়া যায় না। আমরা এ থেকে মুক্তি চাই, পরিত্রাণ চাই। আমাদের এই আন্দোলন বিএনপির জন্য নয়, খালেদা জিয়ার জন্য নয়, তারেক রহমানের জন্য নয় কিংবা আমাদের নেতাদের জন্য নয়; এ আন্দোলন দেশ ও জাতির প্রয়োজনে জাতিকে রক্ষা করার জন্য।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া চাইলে আওয়ামীলীগের মতো গুম-খুন করে ক্ষমতায় থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেন, তাই তিনি দেশের শান্তি ও উন্নয়নের জন্য ক্ষমতা ধরে রাখেননি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মানুষকে খাওয়ানোর পয়সা নেই কিন্তু ভোট চুরির মেশিন কেনার পয়সা আছে। এবারের পরীক্ষায় আওয়ামী লীগ নকল করেও পাস করতে পারবে না। বেগম খালেদা জিয়াকে ব্লাকমেইল করেও যেমন কাজ হবে না, তেমনি মামলা দিয়েও কাজ হবে না।

বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান ফারুকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, হাবিবুন নবী সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন প্রমুখ।

আশিকুর-রহমান/২৩/ডিএসই