
কারওয়ান বাজারে গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ
সোমবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার বিভিন্ন থানায় বিক্ষোভের অংশ হিসেবে কারওয়ান বাজারে ‘রাজনৈতিক সভা সমাবেশে বাধা, হামলা-মামলা, দমন-পীড়ন, গুলি-হত্যা বন্ধের’ দাবিতে গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ হয়।
সমাবেশে ভারত বা অন্য কোনো রাষ্ট্রের দিকে তাকিয়ে থেকে এবং হামলা-মামলা কিংবা গুলি করে শেষ রক্ষা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক ফরাজির সভাপতিত্বে সমাবেশে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন,দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারনে মানুষ প্রতিদিন সরকারকে গালি দিচ্ছে। আমরা ক্ষমতায় গেলে চাল-ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রাখবো।
সমাবেশে জোনায়েদ সাকি বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারকে গদি থেকে নামাতে আসুন সকলে হাত লাগাই। দড়ি ধরে মারো টান, শেখ হাসিনা সরকার হবে খান খান। আগামী দিনে বাংলাদেশে কোনো প্রতিশোধের রাজনীতি আমরা হতে দেবো না। আমরা বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির জন্য নতুন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সূচনা করতে চাই। সংবিধান সংস্কার, ক্ষমতার ভারসাম্য, জবাবদিহিতা, শাসনতান্ত্রিক সংস্কারসহ নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা ইতোমধ্যে ৭ দফা উত্থাপন করেছি। হামলা-মামলা কিংবা গুলি করে শেষ রক্ষা হবে না, গদি রক্ষা করতে পারবেন না। আমরা সরকার পতনের লড়াইয়ের সূচনা করেছি।
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর বলেন, সরকার গদি রক্ষার জন্য চরম মিথ্যাচার করেছে। সরকার ও পুলিশবাহিনীর সদস্যদের হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ছাত্র-জনতার প্রতিবাদ আন্দোলনে হামলার পরিণতি ভালো হবে না। আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, সরকারি বাহিনী যারাই হামলা করবে তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার একের পর এক মানুষের অধিকার কেড়ে নিয়ে মানুষকে মর্যাদাহীন করেছে। সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটা ক্ষেত্রেই চরমভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। আমরা গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষ থেকে সারাদেশে এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবো।
রবিউল-খন্দকার/৩৩/ডিএসই
