
বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত হিমায়িত চিংড়ি
বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত হিমায়িত চিংড়ি রফতানি শিল্প। অসাধু কিছু ব্যবসায়ী তাদের লোভের কারনে বেশি লাভের আশায় ফিটকিরির পানি, ভাতের মাড়, সাগু, এরারুট, লোহা বা সিসার গুলি, মার্বেল, ম্যাজিক বল, জেলিসহ বিভিন্ন ধরনের পদার্থ মিশিয়ে এক ধরনের তরল পদার্থ তৈরি করে চিংড়ির শরীর পুশ করেন। এদের কারনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের হিমায়িত চিংড়ি রফতানি শিল্প, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ‘বাংলাদেশের সম্মান’।
বিশেষজ্ঞরা অবস্থার পরিবর্তনে সরকারের আরও কঠোর পদক্ষেপ চান।
বাংলাদেশের চিংড়ির অন্যতম বাজার ফ্রান্স, চীন, জাপান, ইতালি, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, বেলজিয়াম, তাইওয়ান, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, সুইডেন, মরিশাস, সংযুক্ত আরব-আমিরাত, পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া, সাইপ্রাস ও ডোমিনিকান রিপাবলিক। তবে যুদ্ধের কারণে এখন আর রাশিয়ায় চিংড়ি রফতানি হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
র্যাব-৬ এর পরিচালক লে. কর্নেল মোহাম্মদ মোসতাক আহমদ বলেন, গত দুই দিনে খুলনা ও সাতক্ষীরায় র্যাব সদস্যরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তিন হাজার কেজি অপদ্রব্য পুশ করা চিংড়ি জব্দ করেছে আর ৪ অসাধু চিংড়ি ব্যবসায়ীকে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন।
তবে নিয়মিত অভিযানের পরও চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ করার অসাধু কাজ বন্ধে ফল মিলছে না। সংশ্লিষ্ট অনেকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, অভিযান করেও ফল না পাওয়ার কারন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সাথে মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগের দুর্নীতি।
টিপু/১১/ডিএসই
