
অস্থির ডিম, মুরগির বাজার, তবুও ভালো নেই খামারি”
শনিবার প্রেসক্লাবে “অস্থির ডিম, মুরগির বাজার, তবুও ভালো নেই খামারি” শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা বলেছেন, “গত ১৫ দিনে ডিম ও মুরগির বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে পোল্ট্রি খাতের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি কোম্পানি অতিরিক্ত ৬১৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে”।
তারা বলেন, প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের জিম্মি করে, তাদের ওপর সব দোষ চাপিয়ে দিয়ে দেশের হাতে গোনা ১০-১২টি পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে জড়িত কোম্পানি নিজেরা সিন্ডিকেট করে প্রতিটি ডিমে আড়াই থেকে তিন টাকা বাড়িয়ে গত ১৫ দিনে অতিরিক্ত মুনাফা করেছে ১১২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মুরগির বাচ্চাতে ২৩৪ কোটি টাকা এবং ব্রয়লার মুরগিতে বাজার থেকে তুলে নিয়েছে ২৭২ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ পোল্টি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার বলেন, প্রান্তিক খামারিরা ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায়, ফিড ও অন্যান্য জিনিসের দাম বাড়ায় এবং উৎপাদনের সঙ্গে বিক্রয় মূল্যের সমন্বয় না হওয়ায় অনেক খামারি তাদের খামার বন্ধ করে দিয়েছেন। গত ১৫ দিনে দেশের পোল্ট্রি শিল্পের সঙ্গে জড়িত কয়েকটা কেম্পানি ২-৩ দিন ডিম মজুদ করে রেখে বাজারে না ছেড়ে প্রতিটি ডিমে আড়াই থেকে তিন টাকা অতিরিক্ত মুনাফা করেছে। সারা দেশে প্রতিদিন ডিমের চাহিদা চার কোটি ৩০ লাখেরও বেশি। যার মধ্যে আড়াই কোটি ডিম উৎপাদন করে এসব কোম্পানিগুলো। ফলে তাদের খেয়াল খুশি মতো তারা দাম নিয়ন্ত্রণ করে।
রাশেদ/২৩/ডিএসই
