Wednesday, July 29

মিয়ানমারের উস্কানিমূলক আচরণ কেন ?

সতর্কাবস্থায় বিজিবি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিয়ানমারে অবস্থানরত বাকি ছয় লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়ার পাঁয়তারা করছে দেশটি। আর এ কারণেই হেলিকপ্টার এবং যুদ্ধবিমান দিয়ে বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর উসকানিমূলকভাবে মর্টারশেল নিক্ষেপ করছে।

আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় একের পর এক স্থলমাইন স্থাপন করছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। আগে এ ধরনের মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গারা হতাহত হলেও এখন বাংলাদেশিরাও এর শিকার হচ্ছেন। যুদ্ধ পরিস্থিতি ছাড়া সীমান্ত এলাকায় সেনাবাহিনীর অবস্থান আন্তর্জাতিক রীতিবিরুদ্ধ হলেও মিয়ানমার তা মানছে না।

এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, ‘সীমান্তে তারা মাইন পুঁতেছে। তারা চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করেছে। তারা বারবার আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে। অতীতে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি বলে তারা আবারও আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি লঙ্ঘন করার দুঃসাহসটা দেখাচ্ছে।’

তবে, সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী, পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন।

মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সাগর এবং স্থল মিলিয়ে ২৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। আর সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের টেকনাফ এবং উখিয়ায় অবস্থান করছে মিয়ানমারের প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা নাগরিক।

মং-হেন-সো/১১/ডিএসই