Thursday, September 3

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি শফিক রেহমান, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান

এনইসি’র প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা : সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) প্রথম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রকাশিত ২৯টি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

এছাড়া ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন।

শফিক রেহমানের সভাপতিত্বে সাধারণ সভায় সম্পাদকরা সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও পেশাগত মানোন্নয়নে তাদের পরামর্শ তুলে ধরেন।

সভায় আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলকে আমরা আরও বিস্তৃত করতে চাই।

স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য সম্পাদকরা যাতে ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারেন, সেজন্য এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংগঠনটি প্রথম সভাতেই গণতান্ত্রিকভাবে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী যাত্রা শুরু করেছে।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে শত শত শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। এখন আমাদের শিরদাঁড়া সোজা করে দাঁড়াতে হবে।

যুগান্তর সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার বলেন, গত ১৭ বছরে সাংবাদিকতার নামে গণমাধ্যমে যা হয়েছে, তা ছিল ঘৃণার অযোগ্য। সংবাদমাধ্যম পচে-গলে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। এখন সেখান থেকে আমাদের উত্তরণের চেষ্টা করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এই উপমহাদেশে গণমুখী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ছিলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ধূমকেতুর মাধ্যমে তিনি প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন সফল সম্পাদক।

ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে সম্পাদকদের এমন একটি প্ল্যাটফর্ম জরুরি ছিল। এনইসি যাতে সারা বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে পারে, সেজন্য কাজ করে যেতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে শফিক রেহমান বলেন, দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতায় সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। গণতান্ত্রিকভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সারা দেশের সম্পাদকদের একটি প্ল্যাটফর্মে আনতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় উপস্থিত সম্পাদকরা ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের উপস্থাপিত গঠনতন্ত্র কিছু সংশোধনীসহ অনুমোদন করেন।

সাধারণ সভায় অংশ নিয়ে আরও মতামত দেন নয়া দিগন্ত সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান, নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, খবর সংযোগ সম্পাদক শেখ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশের খবরের সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন, ভোরের ডাক সম্পাদক কে এম বেলায়েত হোসেন, জনতা সম্পাদক ওবায়দুর রহমান শাহীন, দ্য বাংলাদেশ পোস্ট সম্পাদক সদরুল হাসান, বাণিজ্য প্রতিদিন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন, খোলা কাগজ সম্পাদক মনির হোসেন, রূপালী বাংলাদেশের সায়েম ফারুকী, ভোরের বাংলা সম্পাদক শেখ মুহাম্মদ আরিফ, দি গ্লোবাল পোস্টের ড. মাহবুবুর রহমান, নওরোজ সম্পাদক শামসুল হক দুররানি, কর্ণফুলী সম্পাদক (চট্টগ্রাম) আফসার উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক লোকসমাজ (যশোর) সম্পাদক শান্তুনু ইসলাম, নতুন প্রভাতের (রাজশাহী) সম্পাদক সোহেল মাহবুব, দৈনিক নিউটাইমসের সম্পাদক (ময়মনসিংহ) সাইফুল ইসলাম, দৈনিক জালালাবাদ সম্পাদক (সিলেট) মুকতাবিস উন নুর, যুগের চিন্তার (নারায়ণগঞ্জ) সম্পাদক মোরছালীন বাবলা, দৈনিক প্রবাহ (খুলনা) সম্পাদক মো. আশরাফ এবং বাংলাদেশ বাণীর (বরিশাল) সম্পাদক আযাদ আলাউদ্দীন।

কানিজ-৩১/ডিএসই-৮