
আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের
শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বেলা ২টায় সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নির্দিষ্ট সময়ে আগেই পুরো মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।
আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জনসমাবেশের মাধ্যমে জনসমর্থন প্রমাণে বিএনপিকে বার্তা দিলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশেগুলোতে জনসমাগমের বিপরীতে আওয়ামী লীগ একটি জেলা সম্মেলনকে কেন্দ্র করে করে যে জনস্রোত দেখিয়েছে, সেটাকে ট্রেলার বলছেন নেতাকর্মীরা। আগামী ২৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলো গ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগের মহাসমাবেশে ১০ লাখ লোকের বেশি জনসমাগমের চ্যালেঞ্জও দিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
নেতাকর্মীরা ব্যান্ড পার্টি, ব্যানার-ফেস্টুন-প্ল্যাকার্ড নিয়ে উৎসবের আমেজে সম্মেলনে যোগ দেন। যদিও আজ ঢাকা জেলায় কোন বাসের হরতাল ছিলো না।
আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের কঠাক্ষ করে বলেন, ‘রংপুরে একটি সমাবেশ হচ্ছে। কত রঙ দেখাইলা রে, দাদু। রঙ-বেরঙের নাটক। রংপুরে রঙ-বেরঙের নাটক। তিন দিন আগে রংপুরে গিয়ে উত্তরবঙ্গের জেলা থেকে সব এনে শুইয়ে রেখেছে। মঞ্চের ওপর শুয়ে আছে, বাড়ির ছাদে, গুদাম ঘরে শুয়ে আছে। ফখরুলের খবর কী? ফখরুল শুয়ে আছে টাকার বস্তার ওপর। টাকারে টাকা, দুবাইয়ের টাকা, এই তো এলো ঢাকা। ফখরুল মহাখুশি। টাকা পাইলেই বিএনপি খুশি। টাকার বস্তা বিছানার ওপর ফখরুল শুয়ে আছে।’
তিনি বলেন, ‘রংপুরে সমাবেশ, ফখরুল সাহেব কত বলবেন? লাখের কম তো দেখান না। চিটাগাংয়ে লাখের কাছাকাছি, ময়মনসিংয়ে ৩০, খুলনায় ৩০, রংপুরে কত করলেন ৫০? ৬০? আর ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কত লোক হয়েছে, খবর নেন। ফখরুল সাহেব এদিকে যদি থাকেন, একটু উঁকি দিয়ে টিভিতে দেখুন। ঢাকার ছবিও দেখুন, রংপুরের ছবিও দেখুন।’
এ সময় আগামী ২৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলো গ্রাউন্ডে লাখ লাখ লোকের সমাগমের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এখানে তো শেখ হাসিনা নেই। দেখাবো পলো গ্রাউন্ডে। পলো গ্রাউন্ড ৪ ডিসেম্বর শেখ হাসিনা যাবেন। ১০ লাখ লোক সেদিন দেখাবো চট্টগ্রামে মাটিতে। আপনার মুখে বলবেন, ১০ লাখ, আমরা বাস্তবে দেখাবো।’
সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেছেন, বিএনপি এখন বড় বড় কথা বলছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নাকি তারা নির্বাচনে আসবে না। আমরা বলে দিতে চাই, সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। কোনও তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। তারা নির্বাচনে আসলে আসবে, না আসলে নাই।
আজকের সম্মেলনে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বেনজীর আহমদ। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন পনিরুজ্জামান তরুন
