
শুক্রবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যার দুর্যোগ মোকাবেলায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
তিনি রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলার দপ্তর প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় রাঙামাটির বন্যাকবলিত এলাকার অতিদরিদ্র ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে চলতি জুলাই মাসের কিস্তি আদায় না করতে এনজিওগুলোকে অনুরোধ করেছেন।
কিস্তি পরিশোধে দেরি হলে অতিরিক্ত সুদ বা জরিমানা না নিতেও সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলোকে অনুরোধ করেন বলে রোববার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।
সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, তার অনুরোধ এনজিও কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী অমিত বলেন, দুর্গম এলাকায় সশস্ত্র বাহিনী এবং মাঠপর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কাজ করছেন। এসব কার্যক্রম সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “দুর্যোগ শেষে সকলেই বাসায় ফিরবে, কিন্তু বাসাবাড়ি আগের মতো থাকবে না। ক্ষতিগ্রস্ত ঘরগুলো মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। এটা জনগণের কাছে আমাদের ওয়াদা।”
পরে ওমদামিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাই স্কুলে আশ্রয় নেওয়া বন্যার্তদের সঙ্গে দেখা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আপনাদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব সরকারের। বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে আপনাদের পুনর্বাসনের জন্য সরকার পরিকল্পনা মাফিক কাজ করবে।”
মতবিনিময় সভায় রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য যুগ্মসচিব সুমন বড়ুয়া, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, সিভিল সার্জন নূয়েন খীসা, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সবুজ চাকমা ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জালাল উদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।
রেজা/৭৫/ডিএসই
