Wednesday, July 29

ডলার কারসাজির প্রমান পাওয়ায় ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ

ব্যাংকগুলোতে এনওপি-নেট ওপেন পজিশন নির্ধারণ করা আছে

প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির ‘প্রমাণ পাওয়ায়’ ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন,“ট্রেজারি অপারেশনে অতিরিক্ত মুনাফা করায় পাঁচটি দেশি এবং একটি বিদেশি ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।”

ব্যাংকগুলোর বিদেশি মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে রপ্তানি আয়, রেমিটেন্স, বিদেশি মুদ্রায় আমানত সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের বন্ডে বিনিয়োগ। আবার বিদেশি প্রতিষ্ঠানে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে কোনো কোনো ব্যাংকের।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোন ব্যাংক কী পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ করতে পারবে, তার একটি সীমা (এনওপি-নেট ওপেন পজিশন) নির্ধারণ করে দেওয়া আছে।

আগে ব্যাংকের রেগুলেটরি ক্যাপিটালের ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ করার সুযোগ ছিল। ডলার বাজারের অস্থিরতা কমাতে গত ১৫ জুলাই তা কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

১২ জুলাই দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার সুশাসন’ নিশ্চিতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন,

“ব্যাংকের মালিক কে- তা দেখা হবে না। ব্যাংকগুলো নিয়ম মেনে ব্যবসা করবে। আমরা সেজন্য ব্যাংকারদের সহযোগিতা করব। কিন্তু অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি দায়িত্ব নেয়ার এক মাস পুরো হওয়ার আগেই ছয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ায় ব্যাংকাররা বলছেন, এমন পদক্ষেপ নেওয়ার দৃষ্টান্ত নিকট অতীতে নেই।

রাব্বি/২৭/ডিএসই