Wednesday, July 29

জনস্বার্থে শতবর্ষী আইন সংশোধনীতে সরকারের অনুমোদন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় সভাপতিত্ব করেন

১৮৭২ সালের পুরাতন সাক্ষ্য আইনের সংশোধনী আনা খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ডিজিটাল কন্টেন্ট ব্যবহারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নারীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা সংক্রান্ত সাক্ষ্য আইনের দুটি ধারা ১৫৫(৪) ও ১৪৬(৩) বাতিল চেয়ে মামলা গড়িয়েছিল হাইকোর্ট পর্যন্ত।

মন্ত্রী সভার বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব ড. খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, “সাক্ষ্য আইনের খসড়া অনুমোদনের মাধ্যমে এখন থেকে যেকোনও মামলার বিচারের সময় আদালত ডিজিটাল কনটেন্ট, ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত ও নথিপত্র এভিডেন্স (প্রমাণ) হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। একইসঙ্গে মামলার শুনানিকালে একজনকে চরিত্রহীন প্রমাণের ক্ষেত্রে আদালতের পূর্ব অনুমতি নিতে হবে”।

সাক্ষ্য আইন, ২০২২-এর সংশোধনীর প্রস্তাবটি সোমবার (২৫ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।

রোমানা-আলি/০১/ডিএসই

নারীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা সংক্রান্ত সাক্ষ্য আইনের দুটি ধারা ১৫৫(৪) ও ১৪৬(৩) বাতিল চেয়ে মামলা গড়িয়েছিল হাইকোর্ট পর্যন্ত।সাক্ষ্য আইন, ২০২২-এর সংশোধনীর প্রস্তাবটি সোমবার (২৫ জুলাই) মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন।নারীর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলা সংক্রান্ত সাক্ষ্য আইনের দুটি ধারা ১৫৫(৪) ও ১৪৬(৩) বাতিল চেয়ে মামলা গড়িয়েছিল হাইকোর্ট পর্যন্ত।