Wednesday, July 29

১৫ আগস্টের হত্যার পর মানবাধিকার কোথায় ছিল ? আমরা কি মানুষ না? – প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে অনেক জায়গায় মানবাধিকারের কথা বলা হয়, সরকারের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। ১৫ আগস্ট আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি, সেসময়ে মানবাধিকার কোথায় ছিল? আমি মা-বাবা হারিয়েছি, আমি বিচার চাইতে পারবো না, মামলা করতে পারবো না। আমরা মানুষ না?’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকলে খুনিদের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে সহযোগিতা এবং বিভিন্ন দূতাবাসে পুনর্বাসন কেন করেছিল-?

তিনি বলেন, আমি দেশে ফিরে এসেও বিচার চাইতে পারিনি। ‘৯৬-তে ক্ষমতায় যাওয়ার আগে আদালতে গিয়েছি, বক্তব্যে চেয়েছি..আমাদের তো মামলা করারও অধিকার ছিল না। কারণ সেখানে তো ইনডেমনিটি দিয়ে তাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। পুরস্কৃত করে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দেওয়া হয়েছে। খুনিদের রাজনৈতিক দল গঠন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।’

জিয়াউর রহমান তাদের নিজে উদ্যোগী হয়ে লিবিয়ায় তাদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিতে সহযোগিতা করেছিলেন। পাকিস্তানের ভুট্টোকে অনুরোধ করে তার মাধ্যমে লিবিয়ার গাদ্দাফির সঙ্গে আলোচনা করে এই খুনিদের সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। পরে তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল। সে যদি খুনিই না হবে, ষড়যন্ত্রকারীই না হবে, তাহলে খুনি মোস্তাক তাকে সেনাপ্রধানই করবে কেন আর কেন খুনিদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে দেবে।

এসময় খুনিদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের পর খালেদা জিয়ার ভূমিকা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘…খালেদা জিয়া খুনি ফারুক, রশীদ এবং হুদা তাদের নির্বাচনে প্রার্থী করে। তাদের সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বানায় খালেদা জিয়া। এটাকে কীভাবে অস্বীকার করবে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তারা জড়িত না।’

শামিম/২২/ডিএসই