Wednesday, July 29

সরকার কোনও ধরনের চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না


বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন,  আগেই আমরা বলেছি, আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং সেটিরই অংশ হিসেবে বর্তমান সরকার ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছে। আগেও বলেছি, আবারও আমি উল্লেখ করতে চাই –  বর্তমান সরকার কোনোভাবেই কোনও প্রকার চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না।

উগ্রবাদ দমনে রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা যেভাবে সরকারি দল এবং বিরোধী দল বিভিন্ন বিষয়ে এই সংসদে কোনও কোনও বিষয়ে দ্বিমত করেছি, একই সঙ্গে অনেক বিষয়ে আমরা একমতও পোষণ করেছি। ” আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, উগ্রবাদ এবং চরমপন্থাকে বর্তমান সরকার প্রশ্রয় দেবে না এবং এই ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণভাবে বিরোধী দলের সহযোগিতা পাবো, ইনশাআল্লাহ। “

সমাপনী বক্তব্যের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হলে ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। ” আমি বিশ্বাস করি, আমাদের শহীদগণ এমন একটি বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, যে বাংলাদেশে ন্যায়পরায়ণতা এবং ন্যায়বিচারই হবে শেষ কথা। যে বাংলাদেশে ধনী কিংবা গরিব কেউই বৈষম্যের শিকার হবেন না। আমরা প্রত্যেকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, সেই বাংলাদেশে চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের কোনোরকম ঠাঁই হবে না। যে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে কেউ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করবে না। “

শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে এসব বিষয় যথাযথভাবে সমাধান করাই রাষ্ট্র ও সরকারের অন্যতম দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

উল্লেখ্য, উগ্রবাদী সংগঠনে জড়িত সন্দেহে গত ৫ মে ভোর সাড়ে ৬টায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকার একটি বালুর মাঠ থেকে ৬ জনকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে ৯ জুলাই রাতে যশোর থেকে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান, বায়োজিত এবং তাহসীন ইসলাম। এর মধ্যে আতাউল্লাহ শাহ জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা ছিলেন এবং পরে বহিষ্কৃত হন।

কানিজ-১৫/ডিএসই-৭