Wednesday, July 29

পাহাড়ে যৌথবা‌হিনীর অভিযানে পিছু হটেছে সশস্ত্র সংগঠনের সদস্যরা

ফেসবুক লাইভে সশস্ত্র কেএনএফ নেতা

বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির কয়েকটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী সশস্ত্র সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)। উগ্রবাদীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা থাকার অভিযোগে এই সংগঠনের সদস্যদের ধর‌তে পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও মিয়ানমার সীমান্তজুড়ে যৌথবা‌হিনীর সন্ত্রাসবিরোধী চিরুনি অভিযান চলছে। পিছু হটেছে সশস্ত্র এই সংগঠনের সদস্য ও নেতারা।

সামা‌জিক যোগা‌যোগমাধ্যম ফেসবুকে এক‌টি ভিডিও বার্তা দি‌য়ে নিজেদের পিছু হটার কথা জানিয়েছেন সংগঠনের এক নেতা। বুধবার (১৯ অক্টোবর) বিকালে দুর্গম পাহাড়ের অজ্ঞাত স্থান থেকে দুই মিনিট ৫১ সেকেন্ডের এ ভিডিও বার্তা ফেসবুকে দেওয়া হয়।

ভি‌ডিওতে একজন ব‌লেছেন, ‘আমা‌দের সঙ্গে উগ্রবাদী‌দের সম্পৃক্ততা নেই। তারপরও স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্ষয়ক্ষতির কথা চিন্তা করে যৌথবাহিনীর অভিযানের কারণে পিছু হটছি।

সশস্ত্র সংগঠনের নেতা আরও বলেন, ‘মূলত সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস মূল) কৌশলগতভাবে কেএনএফের বিরুদ্ধে উগ্রবাদের অভিযোগ তু‌লে নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিযানে নামিয়েছে। অথচ পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি করে চলেছে জনসংহতি সমিতি। শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হওয়ায় সন্তু লারমাকে দায়ী করে ভিডিও বার্তায় এই নেতা বলেন, ‘সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন সংগঠনের সদস্যরা খুবই কম এবং ভাঙাচোরা অস্ত্র জমা দিয়েছে। তারাই সম্প্রতি সেনাবাহিনীর ওপর সশস্ত্র হামলা করে সে দোষ কেএনএফের ওপর চাপিয়ে দেয়।

রউফুল-আলম/৩১/ডিএসই