Wednesday, July 29

পর্যটকদের জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ উম্মুক্ত

১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন

খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো জানান, ১ সেপ্টেম্বর থেকে দেশ-বিদেশি পর্যটকরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন। একই সঙ্গে সুন্দরবনের বনজসম্পদ আহরণের জন্য পাশ নিয়ে ওইদিন থেকে বনে প্রবেশ করতে পারবেন বনজীবীরা।

তিন মাস নিষেধাজ্ঞার পর পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে সুন্দরবন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বের বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বনে আবার ঘুরতে যাওয়া যাবে।

সুন্দরবনের করমজল, হারবাড়িয়া, কটকা, কচিখালী, হিরণ পয়েন্ট, দুবলা ও নীলকমলসহ সমুদ্র তীরবর্তী এবং বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে লঞ্চ ও ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযানে চড়ে যেতে পারবেন পর্যটকরা। 

গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের সব নদ-নদী ও খালে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল বন বিভাগ। এই তিন মাস সব ধরনের মাছ আহরণ বন্ধের পাশাপাশি সুন্দরবনে পর্যটকদের প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়। কারণ, এ সময়টা বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুম। পর্যটকের আনাগোনা না থাকলে বন্যপ্রাণী তাদের প্রজনন ও বংশবিস্তার করতে বাধা পাবে না। এছাড়া বনের মৎস্যসম্পদের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর বংশবিস্তারে সুফল আনবে বলে ধারণা বনবিভাগ সহ সংশ্লিষ্টদের।

১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের সব নদ-নদী ও খালে মাছ ধরাও নিষিদ্ধ ছিল

জানা গেছে, মৎস্যসম্পদ রক্ষায় ইন্টিগ্রেটেড রিসোর্সেস ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানিংয়ের (আইআরএমপি) সুপারিশ অনুযায়ী প্রতি বছর এই মৌসুমে ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের সব নদী ও খালে মাছ আহরণ বন্ধ থাকে। ২০১৯ সাল থেকে এই কার্যক্রম চালু হয়েছে। কিন্ত চলতি বছর থেকে মৎস্য বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে এই প্রথম এক মাস বাড়িয়ে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত মাছ আহরণ বন্ধ রেখেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারবেন পর্যটকরা। এজন্য বনের ওপর নির্ভরশীল জেলে, ট্যুর অপারেটর, লঞ্চ ও বোটচালকরা আগেভাগেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বিশেষ প্রতিনিধি/১৯/ডিএসই