
অভিযুক্ত ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ডলারের দরে সংকটের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানন, এর পেছনে ‘কিছু কারসাজি’ চিহ্নিত করেছে সরকার।ডলারের দরে সংকটের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জান
এরপরই ১৩৫টি মানি চেঞ্জারে অভিযান চালিয়ে ৪২টিতে অনিয়ম পাওয়ায় কারণ দর্শানোর (শো কজ) নোটিস দেওয়া হয়। এছাড়া পাঁচটি মানি চেঞ্জারের লাইসেন্স স্থগিতের কথা জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়ায় ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়ার পর এবার ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেছেন, ওই ছয় ব্যাংকে বুধবার তারা নোটিস পাঠিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে ছয়টি ব্যাংক হলো ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ডাচ বাংলা ব্যাংক, সাউথ ইস্ট ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক। তাদের ‘ট্রেজারি অপারেশনে’ অতিরিক্ত মুনাফা করার প্রমাণ বাংলাদেশ ব্যাংক পেয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোন ব্যাংক কী পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ করতে পারবে, তার একটি সীমা (এনওপি-নেট ওপেন পজিশন) নির্ধারণ করে দেওয়া আছে।
আগে ব্যাংকের রেগুলেটরি ক্যাপিটালের ২০ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি মুদ্রা সংরক্ষণ করার সুযোগ ছিল। ডলার বাজারের অস্থিরতা কমাতে গত ১৫ জুলাই তা কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে এখন ডলারের কিছুটা কমে এসেছে। বুধবার খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হয়েছে ১১৩ টাকায়। আর আন্তঃব্যাংক লেনদেনে প্রতি ডলার ৯৫ টাকায় বিনিময় হয়েছে।
রাকিবউদ্দিন/৩৪/ডিএসই
