
এস এম রিয়াদ হাসানকে সহ-সভাপতি হিসেবে পদোন্নতি
সরকারি চাকরি পাওয়ার পরও ছাত্রলীগের উপ-সাহিত্য সম্পাদক এস এম রিয়াদ হাসানকে সহ-সভাপতি হিসেবে পদোন্নতি দিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীরা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকতে পারে না। তবে গঠনতন্ত্রের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই এই ছাত্র সংগঠনটির সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন এস এম রিয়াদ হাসান। এমনকি সরকারি চাকরি পাওয়ার পরও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে অবৈধভাবে টিভি, রেফ্রিজারেটর, এয়ারকুলারসহ হলে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছেন এ ছাত্রলীগ নেতা।
করোনার সময়ে এস এম রিয়াদ হাসান হলে সদলবলে অবস্থান করেন। এরপর হল প্রশাসনের অভিযানের সময় তিনি হল থেকে পালিয়ে যান। এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।
জানা যায়, রিয়াদ ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগে ভর্তি হন। কয়েক বছর আগেই তার স্নাতক-স্নাতকোত্তর শেষ হয়েছে। তবুও অবৈধভাবে থাকছেন ঢাবির শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে।
জহুরুল হক হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আব্দুর রহীম বলেন, আমি এখন ঢাকার বাইরে আছি। ঘটিনাটি জেনেছি। যারা মেয়াদোত্তীর্ণ, তাদের হলত্যাগের নোটিশও দিয়েছে। কেউ সরকারি চাকরি পাওয়ার পরও হলে কক্ষ দখলে রেখে বিলাসিতা করা কাম্য নয়। এটা অন্য শিক্ষার্থীদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের মধ্যেও পড়ে না। আমি হলে এসে তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।
জানতে চাইলে ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিয়ান খান জয় গণমাধ্যমকে বলেন, যখন তাকে পদ দেওয়া হয়, তখন তিনি সরকারি চাকরিতে যোগ দেননি। কিন্তু যেহেতু এখন তিনি চাকরিতে যোগ দিয়েছেন, তাই তার পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে গেছে।
তৌফিকুল-আলম/২১/ডিএসই
