Wednesday, July 29

কেরুর চাহিদা বাড়ছে দ্বিগুনেরও বেশি

কেরু এন্ড কোং এর তৈরি মদ

দর্শনা কেরু এন্ড কোং লিমিটেডে নয়টি ব্র্যান্ডের ‘ফরেন লিকার’ বা বিদেশি মদ তৈরি হয়। চিনিকলে আখ থেকে চিনি বের করে নেওয়ার পর যে উপজাত (চিটাগুড়, ব্যাগাস ও প্রেসমাড) পাওয়া যায়, তা থেকে তৈরি হয় মদ।

নিয়মিত মদ্যপান করেন, এমন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, মহামারী শুরুর পর থেকেই বিদেশি মদ পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে; কড়াকড়ির কারণে ওয়্যারহাউজগুলো থেকেও বিদেশি মদ পাওয়া যায় না। ফলে বারগুলোতে দেশি কেরুর চাহিদা বেড়ে গেছে।

ঢাকার কলাবাগানের এফএল (অফ) শপ গ্রীন স্টোর লিমিটেডের কেরুর মদের এজেন্ট। এর বিক্রয়কর্মী রানা ইসলাম বললেন, তারা মাসে প্রতি পারমিটের জন্য ৭ বোতল মদ বিক্রি করেন। সেই অনুযায়ী মাসে ৬০০ পারমিটের জন্য ৪ হাজার ২০০ বোতল মদ দরকার।

“কিন্তু আমাদের দেওয়া হচ্ছে এক হাজার থেকে ১২০০ বোতল। এতে গ্রাহকরা যেমন ক্ষুব্ধ হচ্ছে; তেমনি আমরাও সমস্যায় আছি।”

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিক্রি প্রায় ৩০ শতাংশ বেড়েছে জানিয়ে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রায় ৭০ কোটি টাকা মুনাফার আশা করছে, যা গত বছরের দ্বিগুণের বেশি।

এ বছর ফেব্রুয়ারি মসে হালনাগাদ ‘অ্যালকোহল নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা অনুযায়ী ২১ বছরের কম বয়সীদের মদপানের পারমিট দেওয়া যাবে না। একজন পারমিটধারীর কাছে একবারে সর্বোচ্চ তিন বোতল এবং মাসে সর্বোচ্চ সাত বোতল অ্যালকোহল বিক্রি করা যাবে। কোনো এলাকায় কমপক্ষে ১০০ জন মদের পারমিটধারী থাকলে সেখানে অ্যালকোহল বিক্রির লাইসেন্স দেওয়া হবে। আর ২০০ জন হলে দেওয়া হবে বারের লাইসেন্স।

কেরুর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, গত কয়েক বছরে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির মদ বিক্রি বৃদ্ধি পাওয়ায় ঢাকা, চট্টগ্রাম ও দর্শনা- এ তিনটি বিক্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি জোগান সহজলভ্য করতে কক্সবাজার ও কুয়াকাটায় নতুন দুটো বিক্রয় কেন্দ্র করার পরিকল্পনার রয়েছে।

আজহার/১৯/ডিএসই